ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
চরিত্র নিয়ে পরিচালক ডেস্টিন ক্রেটনের গোপনীয়তা, বিশ্বজুড়ে ভক্তদের জল্পনা

‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র রহস্যময় ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় স্যাডি সিঙ্ক

সংগৃহীত ছবি

 

মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল প্রতীক্ষিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্পাইডারম্যান’-এর নতুন কিস্তি ‘স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তির ঠিক মুখেই সিনেপাড়ায় তুঙ্গস্পর্শী আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিনেত্রীর একটি রহস্যময় ও রহস্যঘেরা ভিডিও ক্লিপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মার্ভেল ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা-কল্পনা।

 

 

সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল ক্লিপটিতে ‘স্ট্র্যাঞ্জার থিংস’ খ্যাত এই অভিনেত্রীকে তার চিরচেনা উজ্জ্বল লাল চুলের বদলে একদম নতুন রূপ— গাঢ় রঙের চুল ও ঘন ভ্রুতে দেখা গেছে। ভিডিওর একপর্যায়ে স্যাডিকে পাশে থাকা একজনের দিকে বেশ রহস্যজনক ভঙ্গিতে তাকিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘হোয়াট উড ইউ ডু ইফ…’ (তুমি কী করতে, যদি…)। ভক্তদের একাংশের ধারণা, এটি নিশ্চিতভাবেই নতুন স্পাইডারম্যান সিনেমার কোনো গোপন ট্রেলার বা দৃশ্যের অংশ। তবে ভিডিওটি কি কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, নাকি সিনেমার প্রকৃত কোনো দৃশ্য— তা নিয়ে এখনো বিতর্ক ও ধোঁয়াশা কাটেনি। নেটিজেনরা ইতোমধ্যে স্যাডি সিঙ্ককে নতুন স্পাইডারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজিতে জিন গ্রে, গ্যোয়েন স্টেসি কিংবা মেরি জেন (এমজে) রূপেই কল্পনা করতে শুরু করেছেন।

 

 

তবে এই চরিত্র এবং ভিডিওটি নিয়ে এখন থেকেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন ছবির পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন। ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি রহস্য বজায় রেখে বলেন, “এই গোপনীয়তাই মূলত সিনেমাটির দেখার রোমাঞ্চ অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। দর্শকরা যখন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি দেখবেন, তখন নিজেই অনুধাবন করতে পারবেন কেন আমরা এতদিন এত গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলাম।” তিনি আরও যোগ করেন, “কোনো তথ্য না জেনে একেবারে ফাঁকা মাথায় প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করলে দর্শকরা এর আসল সাসপেন্স উপভোগ করতে পারবেন। দর্শকদের দারুণ এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার জন্যই আমরা এই গোপনীয়তার আশ্রয় নিয়েছি।”

 

 

বিশ্বজুড়ে দর্শকদের কৌতূহলকে চূড়ায় নিয়ে যাওয়া মার্ভেলের নতুন এই কিস্তিটি ভারতে ৩০ জুলাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৩১ জুলাই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। মুক্তির একেবারেই শেষ মুহূর্তে এমন রহস্যময় ঘটনা সিনেমাটির প্রতি দর্শকদের বাড়তি উন্মাদনা জোগাচ্ছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

চরিত্র নিয়ে পরিচালক ডেস্টিন ক্রেটনের গোপনীয়তা, বিশ্বজুড়ে ভক্তদের জল্পনা

‘স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’র রহস্যময় ভিডিও ভাইরাল, আলোচনায় স্যাডি সিঙ্ক

Update Time : ১১:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

 

মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল প্রতীক্ষিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্পাইডারম্যান’-এর নতুন কিস্তি ‘স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’ মুক্তির ঠিক মুখেই সিনেপাড়ায় তুঙ্গস্পর্শী আলোচনার জন্ম দিয়েছেন জনপ্রিয় হলিউড অভিনেত্রী স্যাডি সিঙ্ক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিনেত্রীর একটি রহস্যময় ও রহস্যঘেরা ভিডিও ক্লিপকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মার্ভেল ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে তুমুল জল্পনা-কল্পনা।

 

 

সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাল ক্লিপটিতে ‘স্ট্র্যাঞ্জার থিংস’ খ্যাত এই অভিনেত্রীকে তার চিরচেনা উজ্জ্বল লাল চুলের বদলে একদম নতুন রূপ— গাঢ় রঙের চুল ও ঘন ভ্রুতে দেখা গেছে। ভিডিওর একপর্যায়ে স্যাডিকে পাশে থাকা একজনের দিকে বেশ রহস্যজনক ভঙ্গিতে তাকিয়ে বলতে শোনা যায়, ‘হোয়াট উড ইউ ডু ইফ…’ (তুমি কী করতে, যদি…)। ভক্তদের একাংশের ধারণা, এটি নিশ্চিতভাবেই নতুন স্পাইডারম্যান সিনেমার কোনো গোপন ট্রেলার বা দৃশ্যের অংশ। তবে ভিডিওটি কি কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি, নাকি সিনেমার প্রকৃত কোনো দৃশ্য— তা নিয়ে এখনো বিতর্ক ও ধোঁয়াশা কাটেনি। নেটিজেনরা ইতোমধ্যে স্যাডি সিঙ্ককে নতুন স্পাইডারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজিতে জিন গ্রে, গ্যোয়েন স্টেসি কিংবা মেরি জেন (এমজে) রূপেই কল্পনা করতে শুরু করেছেন।

 

 

তবে এই চরিত্র এবং ভিডিওটি নিয়ে এখন থেকেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন ছবির পরিচালক ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন। ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি রহস্য বজায় রেখে বলেন, “এই গোপনীয়তাই মূলত সিনেমাটির দেখার রোমাঞ্চ অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। দর্শকরা যখন প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ছবিটি দেখবেন, তখন নিজেই অনুধাবন করতে পারবেন কেন আমরা এতদিন এত গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলাম।” তিনি আরও যোগ করেন, “কোনো তথ্য না জেনে একেবারে ফাঁকা মাথায় প্রেক্ষাগৃহে প্রবেশ করলে দর্শকরা এর আসল সাসপেন্স উপভোগ করতে পারবেন। দর্শকদের দারুণ এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার জন্যই আমরা এই গোপনীয়তার আশ্রয় নিয়েছি।”

 

 

বিশ্বজুড়ে দর্শকদের কৌতূহলকে চূড়ায় নিয়ে যাওয়া মার্ভেলের নতুন এই কিস্তিটি ভারতে ৩০ জুলাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে ৩১ জুলাই মুক্তি পেতে যাচ্ছে। মুক্তির একেবারেই শেষ মুহূর্তে এমন রহস্যময় ঘটনা সিনেমাটির প্রতি দর্শকদের বাড়তি উন্মাদনা জোগাচ্ছে।