ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে পর্দা উঠবে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের। হেক্সা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মিশন শুরু করা ব্রাজিলের প্রস্তুতিতে এখন নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—তড়িৎ ফর্মে থাকা নেইমার জুনিয়র।
ব্রাসিলিয়ার প্লানাল্টো প্রাসাদে বিশ্বকাপ ট্রফি ট্যুর অনুষ্ঠানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তির কঠোর অবস্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট লুলা স্পষ্ট করে বলেছেন, “নামের ভারে নয়, বরং যারা মাঠে পারফর্ম করছে এবং শতভাগ ফিট, তারাই কেবল জাতীয় দলে জায়গা পাবে।” আনচেলত্তির সুসংগঠিত ও গম্ভীর ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, কোচ যদি কঠোর হন, তবেই খেলোয়াড়রা নিজেদের দায়িত্ব বুঝতে পারে।
৩৩ বছর বয়সী নেইমারের জন্য পথটা মোটেও মসৃণ নয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ার পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফেরেন তিনি। সান্তোসের হয়ে ২১ ম্যাচে ৮ গোল এবং সর্বশেষ ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে জোড়া গোল করে তিনি নিজের উপস্থিতির জানান দিলেও আনচেলত্তির মানদণ্ড অনেক উঁচুতে। ইতালিয়ান এই মাস্টারমাইন্ড আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, “নেইমার বা ভিনিসিউস—কারো জন্যই আলাদা নিয়ম নেই। কেউ যদি ৯০ শতাংশ ফিট থাকে, তবে আমি তার বদলে অন্য কাউকে বেছে নেব যে শতভাগ প্রস্তুত।”
ব্রাজিলের আক্রমণভাগে এখন তরুণ প্রতিভার ছড়াছড়ি। চেলসির এস্তেভাও কিংবা বোর্নমাউথের রায়ানের মতো তরুণরা দরজায় কড়া নাড়ছেন। এই গভীরতাই নেইমারের জন্য বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া কঠিন করে তুলছে। আগামী ২৬ মার্চ ফ্রান্স এবং ৩১ মার্চ ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচগুলো হবে খেলোয়াড়দের জন্য শেষ অগ্নিপরীক্ষা। মে মাসের শেষ দিকে ঘোষিত হতে যাওয়া ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দলে নেইমার জায়গা পান কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

স্পোর্টস ডেস্ক 















