ছবি : সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ইংলিশ ক্লাব চেলসির নারী ফুটবল দলের গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হওয়া আলোচনার প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। রোববার মধ্যরাতে প্রতিমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি দূর করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জানান, জাইমা রহমানের ফুটবল অনুরাগ এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাঁর দেওয়া বক্তব্য কোথাও কোথাও ভুলভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে।
বিবৃতিতে দেশের ফুটবলের অন্যতম সেরা সাবেক এই গোলরক্ষক জানান, জাইমা রহমান যখন লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে পড়াশোনা করতেন, তখন তিনি নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। সেই সময় তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলার একটি সুযোগ এসেছিল। আমিনুল হক উল্লেখ করেন, জাইমা রহমানের গোলকিপিংয়ের এই দক্ষতার কথা তিনি খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকেই শুনেছিলেন। তবে স্কুলে থাকাকালীন চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার এমন বড় সুযোগ এলেও জাইমা রহমানের বাবা–মা অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান তাঁকে খেলাধুলার চেয়ে পড়াশোনাতেই বেশি মনোযোগী হতে উৎসাহ দিয়েছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে একটি স্মৃতিচারণমূলক ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, মিরপুর স্টেডিয়ামে ক্রিকেট খেলা দেখার সময় জাইমা রহমানের সঙ্গে তাঁর গোলকিপিং নিয়ে কথা হয়েছিল। সে সময় জাইমা রহমান তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, “আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম।” মূলত লম্বা গড়ন এবং শারীরিক দক্ষতার কারণে জাইমা স্কুল পর্যায়ে গোলরক্ষক হিসেবে বেশ সফল ছিলেন।
আমিনুল হক আরও জোর দিয়ে বলেন, ইউরোপের দেশগুলোতে পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতিটি শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ। জাইমা রহমানেরও খেলাধুলার প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল, তবে পরিবারের ইচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকেই জীবনের প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মূলত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্যটি নিয়ে আংশিক ও বিভ্রান্তিকর প্রচার শুরু হওয়ায় জনমনে স্বচ্ছতা ফেরাতে প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা 






















