সংগৃহীত ছবি (আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি)
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (১ মার্চ) ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি–সহ দেশটির প্রধান সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খামেনির মৃত্যুতে ইরানে রাষ্ট্রীয়ভাবে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আইআরআইবি তাদের বিশেষ বুলেটিনে বলেছে, “আমাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা শহীদ হয়েছেন; ইরানকে সমুন্নত রাখতে এই মহান পণ্ডিত ও যোদ্ধা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”
এর আগে শনিবার সকালে তেহরানে খামেনির বাসভবন লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালায় ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী। হামলার পর শনিবার রাতেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পৃথক বিবৃতিতে খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেন। ইরান শুরুতে এই তথ্য স্বীকার না করলেও আজ রোববার সকালে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকেই ইরানের সামরিক, বিচার এবং গোয়েন্দা বিভাগসহ রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে খামেনির প্রভাব ছিল অপরিসীম।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ছিলেন ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। ১৯৮৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের স্থপতি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন এবং তাঁর নির্দেশেই দেশটির অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হতো। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ–রাজনীতিতে এক বিশাল শূন্যতা ও অস্থিরতা তৈরি করবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
সূত্র : আলজাজিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 













