ছবি : সংগৃহীত
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহকারী মার্কিন সামরিক বিমান ‘কেসি–১৩৫’ বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় বিমানে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যই নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘ উদ্ধার অভিযানের পর নিখোঁজ সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হলেও কাউকেই জীবিত পাওয়া যায়নি। এই ঘটনায় মার্কিন সামরিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে এটি স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বিমানটি কোনো শত্রুপক্ষের হামলা কিংবা ভুলবশত নিজেদের বাহিনীর (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) গোলার আঘাতে বিধ্বস্ত হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক কোনো গোলযোগ বা প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। সেন্টকম আরও জানিয়েছে, নিহত ক্রু সদস্যদের পরিচয় এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। সামরিক রীতি অনুযায়ী, তাদের পরিবারের সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি জানানোর অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর নাম ও পরিচয় জনসমক্ষে আনা হবে।
এর আগে বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছিল যে, চারজন ক্রু সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং বাকি দুইজন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে দুর্ঘটনাস্থলের বিশাল এলাকাজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। অবশেষে কয়েক ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে নিশ্চিত করা হয় যে, বিমানে থাকা ছয়জনের কেউই বেঁচে নেই। লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রিফুয়েলিং বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ায় ওই অঞ্চলে মার্কিন আকাশসীমার কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। ইরাকে বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে এই দুর্ঘটনা মার্কিন বাহিনীর জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























