সংগৃহীত ছবি
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো নজিরবিহীন পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। শনিবারের ধারাবাহিকতায় রবিবারও (১ মার্চ, ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে তেহরান।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে করে যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন কেবল ইসরায়েল-ইরান সীমানায় সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো আরব উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পূর্ব রিয়াদের বাসিন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এএফপি জানায়, সকালে বেশ কয়েকটি বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে পুরো শহর এবং আকাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। যদিও সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি করেছে, তবে রিয়াদের ভেতরে ধোঁয়া ও বিস্ফোরণের শব্দ সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। সংবাদ সংস্থাটির সংবাদদাতারাও এই বিস্ফোরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, শনিবার ইরানের চালানো ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্যমতে, অন্তত ৪০টি বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়িঘর থেকে জরুরি ভিত্তিতে ৩০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে তিনটি হোটেলে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আইডিএফ (IDF) জানিয়েছে, ইরানের নিক্ষিপ্ত বেশ কিছু অত্যাধুনিক হাইপারসোনিক মিসাইল তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের জবাব দিতেই এই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৩’ শুরু হয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো স্থাপনা তাদের নিশানায় থাকবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 















