সংগৃহীত ছবি
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হলো শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার নবনির্বাচিত ২০৭ জন বিজেপি বিধায়কের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দীর্ঘ বৈঠকের পর এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে শুভেন্দু অধিকারীকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। আজ শনিবার কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।
শুভেন্দুর উত্থান ও মমতাকে পরাজয় শুভেন্দু অধিকারীর এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে হেভিওয়েট প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর ধারাবাহিক জয়। গত ২০২৬-এর নির্বাচনে তিনি দুইবার মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করার বিরল কৃতিত্ব স্থাপন করেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও প্রায় ১০ হাজার ভোটে জয়ী হন তিনি। এর আগে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় এসেছিলেন তিনি। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের একচ্ছত্র আধিপত্য চুরমার করে দেওয়ায় শুভেন্দুই এই পদের জন্য সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি।
অমিত শাহের উপস্থিতি ও পরবর্তী পদক্ষেপ নির্বাচনের ফলাফল পরবর্তী পরিস্থিতি সামাল দিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। নবনির্বাচিত বিধায়কদের মতামতের ভিত্তিতেই শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত করা হয়। বিজেপি নেতৃত্বের এই ঘোষণার পরপরই শুভেন্দু অধিকারী রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি জানাবেন। আজ ব্রিগেডে রাজকীয় আয়োজনের মধ্য দিয়ে তিনি বাংলার কুর্সিতে বসতে চলেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শুভেন্দুর এই রাজ্যাভিষেক বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন মেরুকরণের সূচনা করতে যাচ্ছে।

অনলাইন ডেস্ক 















