সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্যের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে পুরোদমে সংঘাত শুরু হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন কৌশলগত স্থানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই হামলার পরপরই ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা (State of Emergency) জারি করেছেন।
টাইমস অব ইসরায়েলসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে যে, সম্ভাব্য ইরানি পাল্টা হামলা মোকাবিলায় ইসরায়েল এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তেল আবিবের ওপর আসা হুমকি চিরতরে দূর করতে এই ‘প্রতিরোধমূলক’ (Pre-emptive) হামলা চালানো হয়েছে। তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। হামলার পরপরই তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ইরানের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের পক্ষ থেকে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলের শহরগুলোতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ নাগরিকদের অতি দ্রুত নিকটস্থ বোমা আশ্রয়কেন্দ্রের (Bomb Shelter) কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে পাঠানো জরুরি বার্তায় বলা হয়েছে, ‘নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বেসামরিক নাগরিকদের উচিত নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ পরিহার করা।’
আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এই সংঘাত যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 















