ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
একই দিনে দ্বিতীয়বার ৫.৯ মাত্রার ভূকম্পন; সাতক্ষীরার পর এবার কাঁপল মিয়ানমার সীমান্তে, আতঙ্কে রাজপথে সাধারণ মানুষ

১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বার কাঁপল বাংলাদেশ: এবার উৎস মিয়ানমার, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.৯

ভোরের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৯। এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে, যার প্রভাব বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে।

 

রাতের এই ভূমিকম্পে রাজধানীর বহুতল ভবনগুলোতে থাকা মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘর ছেড়ে খোলা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা বা দেশের অন্য কোনো স্থান থেকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

 

উল্লেখ্য যে, এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকেও ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, ভোরের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা সাতক্ষীরায়। অর্থাৎ, মাত্র ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে একই মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ, যা জনমনে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার ভূমিকম্প হওয়া বড় ধরনের কোনো ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও সিলেট অঞ্চল দীর্ঘ দিন ধরেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। আজকের এই পরপর দুটি ভূকম্পন সেই ঝুঁকিকেই পুনরায় মনে করিয়ে দিচ্ছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

একই দিনে দ্বিতীয়বার ৫.৯ মাত্রার ভূকম্পন; সাতক্ষীরার পর এবার কাঁপল মিয়ানমার সীমান্তে, আতঙ্কে রাজপথে সাধারণ মানুষ

১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয়বার কাঁপল বাংলাদেশ: এবার উৎস মিয়ানমার, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.৯

Update Time : ১১:১৪:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভোরের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশ। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৯। এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে, যার প্রভাব বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে।

 

রাতের এই ভূমিকম্পে রাজধানীর বহুতল ভবনগুলোতে থাকা মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ঘর ছেড়ে খোলা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকা বা দেশের অন্য কোনো স্থান থেকে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

 

উল্লেখ্য যে, এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকেও ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল বাংলাদেশ। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, ভোরের ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা সাতক্ষীরায়। অর্থাৎ, মাত্র ১৮ ঘণ্টার ব্যবধানে একই মাত্রার দুটি ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ, যা জনমনে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বারবার ভূমিকম্প হওয়া বড় ধরনের কোনো ভূ-তাত্ত্বিক পরিবর্তনের সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা ও সিলেট অঞ্চল দীর্ঘ দিন ধরেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। আজকের এই পরপর দুটি ভূকম্পন সেই ঝুঁকিকেই পুনরায় মনে করিয়ে দিচ্ছে।