সংগৃহীত ছবি
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ, আরামদায়ক ও সাশ্রয়ী করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। আগামী ১৬ মার্চ থেকে সারা দেশে বিআরটিসির ‘ঈদ স্পেশাল বাস সার্ভিস’ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হতে যাচ্ছে। ঈদযাত্রায় যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এবং ভোগান্তি কমাতে প্রতি বছরের মতো এবারও এই বিশেষ সেবা দিচ্ছে সরকারি এই পরিবহন সংস্থাটি।
আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল থেকে বিআরটিসির বিভিন্ন ডিপো থেকে এই বিশেষ সার্ভিসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। বিআরটিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং বিভাগীয় শহরগুলো থেকে দেশের দূরপাল্লার সব রুটেই এই বাসগুলো চলাচল করবে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বাসের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
বিআরটিসি কর্তৃপক্ষ জানায়, বেসরকারি বাসের তুলনায় বিআরটিসির ভাড়া সরকার নির্ধারিত এবং সাশ্রয়ী হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে এই সার্ভিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিসির কারিগরি টিম প্রতিটি বাসের ফিটনেস পরীক্ষা করে সড়কে নামাচ্ছে। এছাড়া যাতায়াত পথে যেকোনো যান্ত্রিক ত্রুটি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে মোবাইল টিম মোতায়েন থাকবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, প্রতি বছর ঈদের সময় গণপরিবহনে টিকিটের সংকট এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের যে অভিযোগ ওঠে, বিআরটিসির এই বিশেষ সার্ভিস তা অনেকটাই লাঘব করবে। রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী এবং জোয়ারসাহারা ডিপোসহ মতিঝিল ও কল্যাণপুর কাউন্টার থেকে যাত্রীরা সরাসরি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।
বিআরটিসির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, “আমরা চাই সাধারণ মানুষ কোনো ভোগান্তি ছাড়াই পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি ফিরুক। সাশ্রয়ী ভাড়ায় মানসম্মত সেবা দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে এবং যানজট এড়াতে আগেভাগে টিকিট সংগ্রহ করে বিআরটিসির এই সেবা গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন। ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ সার্ভিস ঈদের আগের দিন পর্যন্ত নিয়মিত চলবে এবং ঈদের পরবর্তী ফিরতি যাত্রার জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হবে।
















