ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কড়া নজরদারিতে ভোট দিলেন তারেক রহমান; ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী হিসেবে ঐতিহাসিক মুহূর্ত

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিলেন তারেক রহমান: গুলশানে সপরিবারে ‘ধানের শীষে’র প্রধান কান্ডারি

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো আজ। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন ও রাজনৈতিক লড়াই শেষে দেশের মাটিতে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি সপরিবারে ভোট প্রদান করেন। তাঁর সাথে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

 

তারেক রহমানের ভোটদানকে কেন্দ্র করে গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। গত বছরের ২৫ নভেম্বর দেশে ফেরার পর ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে আজই তিনি প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিলেন। তিনি ঢাকা১৭ আসনের পাশাপাশি তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া৬ আসন থেকেধানের শীষপ্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি আগেই ঘোষণা করেছে, দল জয়ী হলে তারেক রহমানই হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ফলে তাঁর এই ভোট প্রদান কেবল ব্যক্তিগত অধিকার নয়, বরং দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এক বিশাল উদ্দীপনার নাম।

 

ভোটকেন্দ্রটিতে শুধু স্থানীয় ভোটার বা দলীয় নেতাকর্মীই নয়, বরং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিশেষ নজর ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই প্রকাশ্য ভোট প্রদান দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ভোট প্রদান শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভোটারদের প্রতি সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানান।

 

এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং ২০২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষক ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সরব উপস্থিতি এবং বড় দলগুলোর অংশগ্রহণে এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এক বিশেষ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কড়া নজরদারিতে ভোট দিলেন তারেক রহমান; ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী হিসেবে ঐতিহাসিক মুহূর্ত

দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিলেন তারেক রহমান: গুলশানে সপরিবারে ‘ধানের শীষে’র প্রধান কান্ডারি

Update Time : ১১:১৬:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো আজ। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন ও রাজনৈতিক লড়াই শেষে দেশের মাটিতে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি সপরিবারে ভোট প্রদান করেন। তাঁর সাথে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।

 

তারেক রহমানের ভোটদানকে কেন্দ্র করে গুলশান এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। গত বছরের ২৫ নভেম্বর দেশে ফেরার পর ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়ে আজই তিনি প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিলেন। তিনি ঢাকা১৭ আসনের পাশাপাশি তাঁর পৈতৃক নিবাস বগুড়া৬ আসন থেকেধানের শীষপ্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি আগেই ঘোষণা করেছে, দল জয়ী হলে তারেক রহমানই হবেন দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। ফলে তাঁর এই ভোট প্রদান কেবল ব্যক্তিগত অধিকার নয়, বরং দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে এক বিশাল উদ্দীপনার নাম।

 

ভোটকেন্দ্রটিতে শুধু স্থানীয় ভোটার বা দলীয় নেতাকর্মীই নয়, বরং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বিশেষ নজর ছিল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই প্রকাশ্য ভোট প্রদান দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জনআস্থার বহিঃপ্রকাশ। ভোট প্রদান শেষে কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সময় তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভোটারদের প্রতি সুশৃঙ্খল থাকার আহ্বান জানান।

 

এবারের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং ২০২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষক ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের সরব উপস্থিতি এবং বড় দলগুলোর অংশগ্রহণে এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এক বিশেষ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।