ঢাকা , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নাকভির বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; ১৫ ফেব্রুয়ারির হাইভোল্টেজ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিল পাকিস্তান সরকার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার ঘোষণা পাকিস্তানের, তবে খেলবে না ভারতের বিপক্ষে

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা আর নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে না খেলার এক বিতর্কিত ও অনড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে দেশটি। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে করা এক পোস্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

পাকিস্তান সরকারের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, “ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তানের সরকার ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য জাতীয় ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটিতে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।” মূলত ভারতে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা তুলে ধরে পাকিস্তান শুরু থেকেই সরব ছিল। পাকিস্তানের এই দাবির প্রেক্ষিতে আইসিসি টুর্নামেন্টের ভেন্যু হিসেবে বাংলাদেশকেও তালিকায় রেখেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নানামুখী জটিলতায় পাকিস্তান সরকার তাদের ভারত-বিমুখ অবস্থান বজায় রাখল।

 

এর আগে আজ সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান মহসিন নাকভি। বৈঠক শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়। ভারতের বিপক্ষে না খেলার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইসিসি এখন এই পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে করবে এবং পাকিস্তানের পয়েন্ট কর্তন করা হবে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান সরকারের এই ‘বয়কট’ সিদ্ধান্তে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ সমীকরণ ও গ্রুপিংয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের দুপুরে শাহী স্বাদে ‘বাটার চিকেন বিরিয়ানি’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নাকভির বৈঠকের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত; ১৫ ফেব্রুয়ারির হাইভোল্টেজ ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিল পাকিস্তান সরকার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার ঘোষণা পাকিস্তানের, তবে খেলবে না ভারতের বিপক্ষে

Update Time : ০৯:২৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা আর নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তবে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলেও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে না খেলার এক বিতর্কিত ও অনড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে দেশটি। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল থেকে করা এক পোস্টে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

 

পাকিস্তান সরকারের ওই পোস্টে বলা হয়েছে, “ইসলামিক রিপাবলিক অব পাকিস্তানের সরকার ২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য জাতীয় ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটিতে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না।” মূলত ভারতে নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা তুলে ধরে পাকিস্তান শুরু থেকেই সরব ছিল। পাকিস্তানের এই দাবির প্রেক্ষিতে আইসিসি টুর্নামেন্টের ভেন্যু হিসেবে বাংলাদেশকেও তালিকায় রেখেছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নানামুখী জটিলতায় পাকিস্তান সরকার তাদের ভারত-বিমুখ অবস্থান বজায় রাখল।

 

এর আগে আজ সন্ধ্যায় অংশগ্রহণ ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান মহসিন নাকভি। বৈঠক শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এই কড়া বার্তা দেওয়া হয়। ভারতের বিপক্ষে না খেলার এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইসিসি এখন এই পরিস্থিতির মোকাবিলা কীভাবে করবে এবং পাকিস্তানের পয়েন্ট কর্তন করা হবে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান সরকারের এই ‘বয়কট’ সিদ্ধান্তে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ সমীকরণ ও গ্রুপিংয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।