ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিকেলে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর সড়কগুলো ঘুরে দেখলেন

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ পরিস্থিতি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

 

ঈদুল আজহাপরবর্তী সময়ে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকার কোরবানির পশুবর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কতটা সফল ও দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়েছে, তা সরাসরি যাচাই করতে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৪টার দিকে তিনি কোনো প্রটোকল বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। ঈদের পর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফর প্রশাসন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজে আরও গতি আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সড়ক পরিক্রমার বিবরণ দিয়ে সরকারের উপপ্রেসসচিব সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ বিকেল ঠিক ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত গাড়িটি প্রথমে গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে বের হয়। এরপর গাড়িটি গুলশান১ নম্বর মোড় অতিক্রম করে পর্যায়ক্রমে রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার এবং পল্টনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে স্টিয়ারিংয়ে বসে সড়কের দুপাশের বর্জ্য অপসারণের দৃশ্য এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করেন।

 

সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা বহর বা ট্রাফিক ব্লক ছিল না। সাধারণ নগরবাসীর মতোই তিনি ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে গাড়ি চালান। প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে সড়কগুলোতে দায়িত্বরত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ চমকে যান। ঢাকার রাস্তাঘাট দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে দুই সিটি কর্পোরেশনের যে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে, তার বাস্তব চিত্রটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরখ করতে চেয়েছিলেন।

 

পরিদর্শন শেষে উপপ্রেসসচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দুই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঢাকার সমস্ত বর্জ্য শতভাগ অপসারণ করে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন ছিটানোর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা ঢিলেমি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা উপহার দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সিটি কর্পোরেশনকে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

বিকেলে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর সড়কগুলো ঘুরে দেখলেন

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ পরিস্থিতি পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০৯:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত

 

ঈদুল আজহাপরবর্তী সময়ে রাজধানী ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন এলাকার কোরবানির পশুবর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কতটা সফল ও দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়েছে, তা সরাসরি যাচাই করতে মাঠে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল ৪টার দিকে তিনি কোনো প্রটোকল বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। ঈদের পর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফর প্রশাসন ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজে আরও গতি আনবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সড়ক পরিক্রমার বিবরণ দিয়ে সরকারের উপপ্রেসসচিব সংবাদমাধ্যমকে জানান, আজ বিকেল ঠিক ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত গাড়িটি প্রথমে গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে বের হয়। এরপর গাড়িটি গুলশান১ নম্বর মোড় অতিক্রম করে পর্যায়ক্রমে রাজধানীর মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার এবং পল্টনসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে স্টিয়ারিংয়ে বসে সড়কের দুপাশের বর্জ্য অপসারণের দৃশ্য এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করেন।

 

সরেজমিনে পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনো বিশেষ নিরাপত্তা বহর বা ট্রাফিক ব্লক ছিল না। সাধারণ নগরবাসীর মতোই তিনি ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে গাড়ি চালান। প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনে সড়কগুলোতে দায়িত্বরত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ চমকে যান। ঢাকার রাস্তাঘাট দ্রুত সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে দুই সিটি কর্পোরেশনের যে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে, তার বাস্তব চিত্রটি প্রধানমন্ত্রী নিজেই পরখ করতে চেয়েছিলেন।

 

পরিদর্শন শেষে উপপ্রেসসচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দুই সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। একই সাথে তিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঢাকার সমস্ত বর্জ্য শতভাগ অপসারণ করে ব্লিচিং পাউডার ও স্যাভলন ছিটানোর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের গাফিলতি বা ঢিলেমি সহ্য করা হবে না। নগরবাসীকে দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন ঢাকা উপহার দিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সিটি কর্পোরেশনকে সার্বক্ষণিক সমন্বয়ের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।