ছবি : সংগৃহীত
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একের পর এক শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। পারস্য উপসাগর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় পুরো ইসরায়েল জুড়ে এখন যুদ্ধের দামামা বাজছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের হাত থেকে বাঁচতে লাখ লাখ ইসরায়েলি নাগরিক গভীর রাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে আন্ডারগ্রাউন্ড বোমা শেল্টারে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
এএফপি–র প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পবিত্র নগরী জেরুজালেমসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন প্রান্তে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইসরায়েলের জরুরি পরিসেবা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র রুখে দিলেও বেশ কিছু আঘাত হেনেছে জনপদে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, যুদ্ধের আঁচ লেগেছে সমুদ্রসীমাতেও। বুধবার গভীর রাতে ইরান থেকে আসা একটি ড্রোন কুয়েতের একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে আঘাত হেনেছে। যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা (ইউকেএমটিও) নিশ্চিত করেছে যে, ড্রোন হামলার পর জাহাজটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সেটি পারস্য উপসাগরে ডুবে যায়।
ইউকেএমটিও–র প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, জাহাজটি ডুবে যাওয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ তেল সাগরে ছড়িয়ে পড়ছে, যা ওই অঞ্চলের সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। তবে জাহাজের ক্রুরা সবাই নিরাপদ রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। ড্রোনের আঘাতেই যে এই ডুবিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তার পর্যাপ্ত তথ্য–প্রমাণ থাকার কথা জানিয়েছে ব্রিটিশ এই সংস্থাটি। ইরানের এমন আগ্রাসী অবস্থান এবং তেল ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।















