শেরপুরে রাজনৈতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নিহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই ঘটনাকে ‘অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এমন প্রাণহানি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য হুমকিস্বরূপ উল্লেখ করে সরকার সব রাজনৈতিক দলকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল নেতৃত্ব বজায় রাখা এবং সমর্থকদের শান্ত রাখার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো ধরনের সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা হত্যার কোনো স্থান নেই। শেরপুরের এই সুনির্দিষ্ট ঘটনায় পুলিশ ইতোমধ্যে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রতিটি ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
নির্বাচনী জনপদগুলোতে শান্তি নিশ্চিত করতে শেরপুরসহ সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।” তাই সকল দল ও প্রার্থীকে আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ভোটারদের কাছে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যেকোনো মূল্যে শান্তি বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা নস্যাৎ করা হবে বলে বিবৃতিতে প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।















