বিশ্বের শীর্ষ দুই পরাশক্তি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপড়েন কমিয়ে আনতে এবার বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি বছরই তিনি চীন সফরে যাচ্ছেন এবং বছরের শেষ নাগাদ চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসবেন বলে ট্রাম্প নিজেই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তিনি চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর সবসময়ই ‘দুর্দান্ত সম্পর্ক’ ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
যদিও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে এই সফরের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চিতবার্তা আসেনি, তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। করোনা মহামারির পর থেকেই বাণিজ্য যুদ্ধ ও বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক ইস্যুতে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির এই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছিল। তবে ট্রাম্প দাবি করেছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে তিনি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ও উন্নতি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি সফর যদি সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে তা বিশ্ববাজার ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে চলা দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক বৈরিতা হ্রাসের ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হতে পারে। এখন বিশ্ববাসী তাকিয়ে আছে বেইজিংয়ের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার দিকে, যা এই সফরের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করবে।















