ছবি : সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাগুলোতে স্মরণকালের ভয়াবহ হামলা শুরু করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আজ রোববার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি নিশ্চিত করেছে যে, তারা প্রতিশোধমূলক হামলার ‘ষষ্ঠ ধাপ‘ শুরু করেছে। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান।
আইআরজিসি–র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানে ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ তেল নোফ বিমানঘাঁটি এবং তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ড সদরদপ্তর ‘হা–কিরিয়া’-তে নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে ইরানি মিসাইল। এছাড়া একই শহরের একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আইআরজিসি এই হামলাকে ‘পরপর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, ধাপে ধাপে আরও ভিন্ন ও কঠোর প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে তাদের ড্রোন ও মিসাইলগুলো সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। তবে এই ব্যাপক হামলার ফলে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। স্বাধীন কোনো সূত্র থেকেও হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক 













