ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শহীদ সেনা দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখবার শপথ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত সেনা হত্যাযজ্ঞের স্মরণে আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিশেষ বাণী প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণগুলো এখন জনগণের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট ও বোধগম্য। তিনি ৫৪ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে আক্ষেপ করে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটিশহীদ সেনা দিবসহিসেবে পালিত হচ্ছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও সার্বভৌমত্ববিরোধী যে গভীর চক্রান্ত এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল, তা উপলব্ধি করা জরুরি।

 

সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান ও বীরত্বের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, অতীতে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য দেশবাসীকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তাঁর বাণী শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

শহীদ সেনা দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখবার শপথ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের বোধগম্য: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ১০:১৫:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আগামীকাল ২৫ ফেব্রুয়ারি, ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস ২০০৯ সালের এই দিনে পিলখানায় বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বর্বরোচিত সেনা হত্যাযজ্ঞের স্মরণে আজ মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক বিশেষ বাণী প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণগুলো এখন জনগণের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট ও বোধগম্য। তিনি ৫৪ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে আক্ষেপ করে বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দীর্ঘ সময় এই দিনটিকে যথাযোগ্য গুরুত্বের সাথে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দিনটিশহীদ সেনা দিবসহিসেবে পালিত হচ্ছে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচারাধীন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও সার্বভৌমত্ববিরোধী যে গভীর চক্রান্ত এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল, তা উপলব্ধি করা জরুরি।

 

সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান ও বীরত্বের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, অতীতে এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে নানা মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে আর কেউ যেন সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, সেজন্য দেশবাসীকে পুনরায় শপথে বলীয়ান হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো চক্রান্ত ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তাঁর বাণী শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী।