১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ এবং এর ঘোষিত ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন।
রিটকারী আইনজীবী নিজেই গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, আগামী সপ্তাহে বিচারপতিদের উপস্থিতিতে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এই রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
রিট পিটিশনে গণভোটের স্বচ্ছতা এবং নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্যের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে অনুষ্ঠিত এই গণভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৬০.২৬ শতাংশ। যার মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন এবং ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। রিটকারী আইনজীবীর মতে, এই বিশাল সংখ্যক ভোটের পরিসংখ্যান এবং ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে, যা নিরসনে আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই গণভোটের ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় রাষ্ট্রীয় নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছিল। তবে হাইকোর্টে এই চ্যালেঞ্জের ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি এখন আইনি পর্যালোচনার মুখে পড়ল। বিশেষ করে নবনির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণের দিনেই এই রিট দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই গণভোটের চূড়ান্ত কার্যকারিতা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা 















