আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) খুলনা ও যশোর সফরে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ২২ বছর পর খুলনার মাটিতে তাঁর এই আগমনকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। এদিন সকাল ১০টায় নগরীর খালিশপুরের প্রভাতি স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।
খুলনার স্থানীয় বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৪ সালে খুলনা সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর শিল্পাঞ্চল খালিশপুরে তাঁর এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে খুলনার মৃতপ্রায় পাটশিল্প ও বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার বিষয়ে তারেক রহমান কোনো সুনির্দিষ্ট বার্তা দেবেন কি না, সেদিকে তাকিয়ে আছেন এই অঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমিক।
সাবেক পাটকল শ্রমিক হাফিজুর রহমান তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “তারেক রহমান খালিশপুরে আসায় আমরা খুব খুশি। আমাদের শুধু একটাই দাবি-আমরা মিল-কারখানা চালু চাই। মিল চললে আমাদের কাজ হবে, আর কাজ থাকলেই আমরা পরিবার নিয়ে বাঁচতে পারব। আশা করি তিনি আমাদের এই কষ্টের কথা শুনবেন।” বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মতে, শিল্পাঞ্চলে তারেক রহমানের আগমন খুলনার ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।
মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, “তারেক রহমানের খুলনা আগমন শুধু একটি নির্বাচনি কর্মসূচি নয়; এটি আমাদের জন্য বড় একটি রাজনৈতিক বার্তা। দীর্ঘদিনের দমন-পীড়ন শেষে নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাস ও মনোবল ফিরে পাওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ এটি।” খালিশপুরের জনসভা শেষ করে বিকেলে তারেক রহমান যশোর অভিমুখে যাত্রা করবেন এবং সেখানে পৃথক এক নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। তাঁর এই সফরকে কেন্দ্র করে খুলনায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


























