বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্ব তুলে ধরে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে আজ কোনো দলেরই অস্তিত্ব থাকত না। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের পাকুরতিয়া বাজারে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন থাকতেন না, তেমনি বিএনপি বা আওয়ামী লীগও থাকত না।”
নির্বাচনী জনসভায় প্রতিদ্বন্দ্বী জোটের প্রার্থীর কড়া সমালোচনা করে জিলানী বলেন, “নির্বাচন এলেই স্বাধীনতাবিরোধীরা জোটবদ্ধ হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বহিরাগত একজন প্রার্থী জিন্নাহ ক্যাপ পরে সাধারণ মানুষকে, বিশেষ করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করবে। ধর্মের লেবাস পরে মানুষকে বিভ্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে সচেতন থাকতে তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এস এম জিলানী এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জ ও টুঙ্গিপাড়ার মানুষ বর্তমানে এক ধরণের হীনম্মন্যতায় ভুগছে, এমনকি ঢাকা গিয়েও নিজের পরিচয় দিতে ভয় পাচ্ছে। আমি নির্বাচিত হয়ে সংসদে গেলে আপনাদের সেই আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেব। ইনশাআল্লাহ, তখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত আপনারা বুক ফুলিয়ে সিনা টান করে চলতে পারবেন।” ডুমুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতা শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় জেলা ও উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
















