টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী শুক্রবার অথবা সোমবার। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভী। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশের ভারত সফর বাতিল এবং আইসিসি কর্তৃক বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রতিবাদে পাকিস্তান এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘সব বিকল্প বিবেচনায় রেখে’ সংকট সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন।
এর আগে আইসিসির সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে মহসিন নাকভী এটিকে সংস্থাটির ‘দ্বিচারিতা’ বা ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের নিরাপত্তা শঙ্কাকে গুরুত্ব না দিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বর্জন করতে পারে—এমন জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। যদিও এর মধ্যেই গত সপ্তাহে ১৫ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পিসিবি, যা ভক্তদের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তবে বোর্ড স্পষ্ট করেছে যে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সংকেতের ওপরই নির্ভর করছে।
এদিকে পাকিস্তানের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, পাকিস্তান হয়তো পুরোপুরি বিশ্বকাপ বয়কট করবে না। বরং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে তিনটি বিকল্প পন্থায় প্রতিবাদ জানানোর কথা ভাবছে পিসিবি। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিটি ম্যাচে ‘কালো আর্মব্যান্ড’ পরে মাঠে নামা, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি বর্জন করা অথবা তাদের জয়ী ম্যাচগুলো বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা। এই বিকল্পগুলোর মাধ্যমে আইসিসির বৈষম্যমূলক নীতির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে একটি জোরালো বার্তা দেওয়াই পিসিবির মূল লক্ষ্য।



























