ঢাকা , শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ডাক

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

 

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও কঠোর সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক মহান বার্তা নিয়ে আসে। তিনি বলেন, “পবিত্র রমজান মাস আমাদের কেবল উপবাস থাকাই শেখায় না, বরং এটি সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের দীর্ঘ সাধনা আমাদের আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট গভীরভাবে অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বারোপ করে বলেন, রমজানের এই মহান শিক্ষাকে কেবল এক মাসে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ঈদ আমাদের ধনীগরিব, ছোটবড় সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ডাক দেয়। উৎসবের এই দিনে আনন্দ যেন কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, তা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা আমাদের চারপাশের অসহায় ও দুস্থ মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই- এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক- এই আমার প্রত্যাশা। ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই মিলে একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করব।পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও বরকত কামনা করেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর এই বাণীর মধ্য দিয়ে উৎসবের আমেজে এক মানবিক দায়বদ্ধতার সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে, যা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে সাড়া না দেয়ায় ন্যাটো মিত্রদের ‘কাপুরুষ’ বললেন ট্রাম্প

সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার ডাক

দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৯:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ছবি : সংগৃহীত

 

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও কঠোর সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক মহান বার্তা নিয়ে আসে। তিনি বলেন, “পবিত্র রমজান মাস আমাদের কেবল উপবাস থাকাই শেখায় না, বরং এটি সংযম, ত্যাগ, খেদমত ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের দীর্ঘ সাধনা আমাদের আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট গভীরভাবে অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুরুত্বারোপ করে বলেন, রমজানের এই মহান শিক্ষাকে কেবল এক মাসে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, ঈদ আমাদের ধনীগরিব, ছোটবড় সব ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ডাক দেয়। উৎসবের এই দিনে আনন্দ যেন কেবল নিজের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, তা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, “আসুন, আমরা আমাদের চারপাশের অসহায় ও দুস্থ মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেই- এটাই হোক আমাদের আজকের অঙ্গীকার।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী একটি মানবিক ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করুক- এই আমার প্রত্যাশা। ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই মিলে একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করব।পরিশেষে তিনি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে দেশ ও জাতির শান্তি, অগ্রগতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও বরকত কামনা করেন।

 

প্রধানমন্ত্রীর এই বাণীর মধ্য দিয়ে উৎসবের আমেজে এক মানবিক দায়বদ্ধতার সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে, যা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।