আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসন থেকে ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে জেলার তিনটি আসনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন মোট ২৭ জন প্রার্থী। তবে গোপালগঞ্জ-০২ আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে মাঠে থাকায় এই আসনে শেষ পর্যন্ত একক প্রার্থী নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি।
গোপালগঞ্জ-০১ (কাশিয়ানি-মুকসুদপুর): এই আসন থেকে ৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন—বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ইমরান হুসাইন আফসারী, জনতার দলের মো. জাকির হোসেন, এবি পার্টির মো. প্রিন্স আল আমিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল আলম। ফলে এই আসনে এখন চূড়ান্ত লড়াইয়ে আছেন ৮ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম, জামায়াতের মুহাম্মদ আবদুল হামীদ মোল্লা এবং জাতীয় পার্টির সুলতান জামান খানসহ আরও ৫ জন।
গোপালগঞ্জ-০২ (সদর): এই আসনে কোনো প্রার্থীই মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে ১১ জন প্রার্থীর সবাই এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন। তবে বিএনপির জন্য এই আসনটি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে; কারণ দলীয় প্রার্থী কে এম বাবরের পাশাপাশি এখানে বিএনপির দুই বিদ্রোহী নেতা এম. এইচ খান মঞ্জু ও মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। এছাড়াও এই আসনে জাতীয় পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গোপালগঞ্জ-০৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া): এই আসন থেকে ৩ জন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। তারা হলেন—জামায়াতে ইসলামীর এম এম রেজাউল করিম, এনসিপির মো. আরিফুল দাঁড়িয়া এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আলী আহমেদ। এই আসনে এখন চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। মূল লড়াইয়ে বিএনপির এস এম জিলানীর পাশাপাশি লড়বেন গণফোরাম, গণঅধিকার পরিষদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা।
















