ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ার কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়; কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে বিএনপি প্রার্থীর হুঁশিয়ারি

গোপালগঞ্জে গণতন্ত্রের জাগরণ: ৭০-৮০% ভোটের দাবি এস এম জিলানীর

গোপালগঞ্জ (কোটালীপাড়াটুঙ্গিপাড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণকেগণতন্ত্রের জাগরণহিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোটালীপাড়ার তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, মানুষ অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। দীর্ঘ সময় পর এই জনপদে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এমন উৎসাহউদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

এস এম জিলানী বলেন, “সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আমি নিজে অনেকগুলো কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি, যেখানে নারীপুরুষ নির্বিশেষে মানুষ দলে দলে ভোট দিতে আসছেন। কোনো কোনো কেন্দ্রে ইতিমধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে আমি তথ্য পেয়েছি।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধিকে বেছে নেবেন। তবে ভোটের এই স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ নিয়ে কেউ যদি কোনো ধরণের ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করে, তবে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

 

উল্লেখ্য, এই আসনে এস এম জিলানীর পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মারুফ শেখ (হাতপাখা), পিপলস পার্টির শেখ সালাউদ্দিন (আম), গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার দাড়িয়া (ট্রাক) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (ঘোড়া) ও মো. হাবিবুর রহমান (ফুটবল) মোট ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৮৪ জন ভোটারের এই আসনে দিনভর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোপালগঞ্জ৩ আসনে দীর্ঘ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক এবং উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটারদের উপস্থিতি এবং প্রার্থীদের সন্তুষ্টি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় আনন্দিত। এস এম জিলানীর এই ইতিবাচক মন্তব্য নির্বাচনী পরিবেশের সুষ্ঠুতাকেই তুলে ধরছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ার কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড়; কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে বিএনপি প্রার্থীর হুঁশিয়ারি

গোপালগঞ্জে গণতন্ত্রের জাগরণ: ৭০-৮০% ভোটের দাবি এস এম জিলানীর

Update Time : ১০:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জ (কোটালীপাড়াটুঙ্গিপাড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণকেগণতন্ত্রের জাগরণহিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোটালীপাড়ার তালিমপুর তেলিহাটি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, মানুষ অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে এসে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। দীর্ঘ সময় পর এই জনপদে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এমন উৎসাহউদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

 

এস এম জিলানী বলেন, “সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আমি নিজে অনেকগুলো কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি, যেখানে নারীপুরুষ নির্বিশেষে মানুষ দলে দলে ভোট দিতে আসছেন। কোনো কোনো কেন্দ্রে ইতিমধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে আমি তথ্য পেয়েছি।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধিকে বেছে নেবেন। তবে ভোটের এই স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ নিয়ে কেউ যদি কোনো ধরণের ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করে, তবে এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

 

উল্লেখ্য, এই আসনে এস এম জিলানীর পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মারুফ শেখ (হাতপাখা), পিপলস পার্টির শেখ সালাউদ্দিন (আম), গণঅধিকার পরিষদের আবুল বাশার দাড়িয়া (ট্রাক) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক (ঘোড়া) ও মো. হাবিবুর রহমান (ফুটবল) মোট ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৮৪ জন ভোটারের এই আসনে দিনভর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোপালগঞ্জ৩ আসনে দীর্ঘ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক এবং উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটারদের উপস্থিতি এবং প্রার্থীদের সন্তুষ্টি প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ায় আনন্দিত। এস এম জিলানীর এই ইতিবাচক মন্তব্য নির্বাচনী পরিবেশের সুষ্ঠুতাকেই তুলে ধরছে বলে মনে করা হচ্ছে।