গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অতিরিক্ত চোলাই মদ পান করে প্রসেনজিৎ হালদার নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিহত প্রসেনজিৎ উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের শ্রীফলবাড়ি গ্রামের অসীম হালদারের ছেলে এবং ভাঙ্গার হাট কাজী মন্টু কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। গত ২৩ জানুয়ারি রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ীতে সরস্বতী পূজা উপলক্ষে বেড়াতে গিয়ে এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জানুয়ারি প্রতিবেশী সুকান্ত গাইনের সঙ্গে তাঁর শ্বশুরবাড়ি রাজৈর থানার কদমবাড়ীতে পূজা দেখতে যান প্রসেনজিৎ। সেখানে বন্ধুরা মিলে মদ্যপান করার একপর্যায়ে অতিরিক্ত সেবনে প্রসেনজিৎ অচেতন হয়ে পড়েন। অভিযোগ উঠেছে, প্রসেনজিৎ অসুস্থ ও অচেতন হয়ে পড়লে সঙ্গী সুকান্ত গাইন তাঁকে ওই অবস্থায় ফেলে রেখেই নিজের বাড়িতে চলে আসেন। পরদিন ২৪ জানুয়ারি স্থানীয় এক গ্যারেজ মালিক প্রসেনজিৎকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে স্থানীয় স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে বন্ধুর দায়িত্বহীনতা ও রহস্যজনক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। উৎসবের আমেজে মদ্যপানের মতো মরণঘাতী নেশায় জড়িয়ে একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন প্রস্থানে স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
















