শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। সংগৃহীত ছবি
সিলেট বিভাগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে এসে শিক্ষাক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ বুধবার সিলেট বিভাগের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অনলাইন ক্লাসের প্রয়োজনীয়তা এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
শিক্ষামন্ত্রী অকপটে স্বীকার করেন যে, অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের অনীহা ও অসন্তোষ রয়েছে। তিনি বলেন, “আমি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সাথে সরাসরি কথা বলেছি।
তাদের একজনও অনলাইন ক্লাস চায় না। এমনকি ব্যক্তিগতভাবে আমিও এর পক্ষপাতী নই। কিন্তু বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট এবং প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা আমাদের এই পথ বেছে নিতে বাধ্য করছে। পৃথিবী আজ এই মাধ্যমেই চলছে, তাই আমাদের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই।”
সভায় শিক্ষামন্ত্রী কোচিং ব্যবসার লাগাম টেনে ধরার ঘোষণা দিয়ে বলেন, অনিয়ন্ত্রিত কোচিং সেন্টারগুলোকে খুব শীঘ্রই কঠোর আইনি কাঠামোর আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি তিনি সাফ জানিয়ে দেন, দেশের ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলো এখন থেকে সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে থাকবে, যাতে শিক্ষার মান ও ফি নির্ধারণে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের সব স্কুল-কলেজকে পর্যায়ক্রমে সোলার এনার্জির (সৌর বিদ্যুৎ) আওতায় আনা হবে। এছাড়া শিক্ষক সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে মন্ত্রণালয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে তিনি স্টেকহোল্ডারদের সহযোগিতা কামনা করেন।

















