ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী ও ‘না’ মানে গোলামী; ফরিদপুর-১ আসনে ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে ভোট চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান

‘কালো চিল হয়ে এলে ডানা ভেঙে দেওয়া হবে’: বোয়ালমারীতে ভোট পাহারায় যুবকদের কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো ধরণের কারচুপি বা অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে সাতটায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “১২ তারিখ আসমান থেকে ভোট ছিনিয়ে নিতে কালো চিল নামতে পারে, আবার জমিন থেকেও অপতৎপরতা শুরু হতে পারে। যদি কেউ কালো চিল হয়ে ভোট লুট করতে আসে, তবে তার ডানা খুলে ফেলতে হবে।”

 

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান ‘আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব’—এই সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘোষণা করে বলেন, এখন থেকে কেবল ‘যার ভোট সেই দিবে’ নীতি কার্যকর হবে। যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমাদের জেগে থাকতে হবে। ভোটের ওপর কেউ হাত বাড়ালে তা বরদাস্ত করা হবে না।” তিনি আরও যোগ করেন যে, জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হবে তাদের অভিনন্দন জানানো হবে, কিন্তু বাইরে থেকে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে।

 

ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে ভোট চেয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১২ তারিখের প্রথম ভোটটি হবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে। একই সাথে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদী, আর না মানে গোলামী। আমরা ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াত কোনো দলীয়, পরিবারতান্ত্রিক বা গোষ্ঠীতান্ত্রিক সরকার চায় না; বরং ১৮ কোটি মানুষের ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

 

ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে এবং কেউ কারো ধর্মীয় পালনে বাধা দেওয়ার দুঃসাহস দেখাতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করার দিন শেষ উল্লেখ করে তিনি জনগণকে বিজয় নিয়ে ঘরে ফেরার শপথ করান। জনসভা শেষে তিনি প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার হাত উঁচিয়ে ধরেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

‘হ্যাঁ’ মানে আজাদী ও ‘না’ মানে গোলামী; ফরিদপুর-১ আসনে ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে ভোট চাইলেন ডা. শফিকুর রহমান

‘কালো চিল হয়ে এলে ডানা ভেঙে দেওয়া হবে’: বোয়ালমারীতে ভোট পাহারায় যুবকদের কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

Update Time : ১২:১৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো ধরণের কারচুপি বা অপতৎপরতা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে সাতটায় ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভা স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “১২ তারিখ আসমান থেকে ভোট ছিনিয়ে নিতে কালো চিল নামতে পারে, আবার জমিন থেকেও অপতৎপরতা শুরু হতে পারে। যদি কেউ কালো চিল হয়ে ভোট লুট করতে আসে, তবে তার ডানা খুলে ফেলতে হবে।”

 

জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান ‘আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব’—এই সংস্কৃতির চিরতরে অবসান ঘোষণা করে বলেন, এখন থেকে কেবল ‘যার ভোট সেই দিবে’ নীতি কার্যকর হবে। যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “তোমাদের জেগে থাকতে হবে। ভোটের ওপর কেউ হাত বাড়ালে তা বরদাস্ত করা হবে না।” তিনি আরও যোগ করেন যে, জনগণের ভোটে যারা নির্বাচিত হবে তাদের অভিনন্দন জানানো হবে, কিন্তু বাইরে থেকে কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা শক্ত হাতে প্রতিহত করা হবে।

 

ফরিদপুর-১ আসনের প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার পক্ষে ভোট চেয়ে জামায়াত আমির বলেন, ১২ তারিখের প্রথম ভোটটি হবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে। একই সাথে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “হ্যাঁ মানে আজাদী, আর না মানে গোলামী। আমরা ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জামায়াত কোনো দলীয়, পরিবারতান্ত্রিক বা গোষ্ঠীতান্ত্রিক সরকার চায় না; বরং ১৮ কোটি মানুষের ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

 

ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করবে এবং কেউ কারো ধর্মীয় পালনে বাধা দেওয়ার দুঃসাহস দেখাতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় সম্পদকে ব্যক্তিগত সম্পত্তি মনে করার দিন শেষ উল্লেখ করে তিনি জনগণকে বিজয় নিয়ে ঘরে ফেরার শপথ করান। জনসভা শেষে তিনি প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্লার হাত উঁচিয়ে ধরেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের নিরলসভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।