সংগৃহীত ছবি
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে আজ বুধবার রাজধানীজুড়ে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে রেলপথের যাত্রীদের মধ্যে বাড়ি ফেরার তীব্র আকুলতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে এই যাত্রায় আনন্দের চেয়ে জীবনের ঝুঁকিই যেন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুপুরের দিকে রাজধানীর বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ট্রেনের ভেতরে তিল ধারণের জায়গা না থাকায় শত শত যাত্রী ট্রেনের ছাদে উঠে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়াকড়ি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের মধ্যে ট্রেনের বগিতে ওঠার জন্য তীব্র হুড়োহুড়ি দেখা গেছে। অনেকের কাছে বৈধ টিকিট থাকলেও ভিড়ের চাপে তারা কামরায় প্রবেশ করতে পারছেন না। আবার উল্টো চিত্রও রয়েছে; টিকিট ছাড়াই অনেকে জোরপূর্বক ট্রেনের বগিতে গিয়ে আসন দখল করছেন। এর ফলে বৈধ যাত্রীদের সাথে বিনা টিকিটের যাত্রীদের বাকবিতণ্ডা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
এদিকে, বুধবার ঢাকা থেকে নীলফামারীগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নয়টি বগি বগুড়ার আদমদীঘিতে লাইনচ্যুত হওয়ায় বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেনটি থেকে তিনটি অতিরিক্ত কোচ সরিয়ে নেওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মাঝে চরম অনিশ্চয়তা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে অন্যান্য ট্রেনের সময়সূচিতেও, ফলে স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে নারী ও শিশুদের। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেকেই আগেভাগে পরিবার পাঠিয়ে দিলেও শেষ মুহূর্তে অফিস ফেরত মানুষের চাপে ভিড় এখন তুঙ্গে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ছাদ বা ইঞ্জিন সংলগ্ন স্থানে ভ্রমণ না করতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার অনুরোধ জানাচ্ছে।

























