সংগৃহীত ছবি
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এক জরুরি ও তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের প্রায় ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের পর থেকে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে তীব্র দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের শান্তি ও জানমালের সুরক্ষায় এসব অঞ্চলের সংশ্লিষ্ট সব নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম-এর স্বাক্ষর করা অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। তীব্র গরমের পর হঠাৎ মৌসুমী বায়ুর সক্রিয়তায় এমন বৈরী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অফিসের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, আজ রাত ১টা পর্যন্ত দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এই ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাব বজায় থাকতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর তালিকায় রয়েছে—রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট। আবহাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে, এসব অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ দমকা ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
বর্ষা মৌসুমের এমন বৈরী ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য জারি করা এই বিশেষ সতর্কবার্তায় সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল নৌযানকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে বিবেচনায় নিয়ে ছোট-বড় সব ধরণের যাত্রীবাহী ও মালবাহী নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সাবধানে ও দেখেশুনে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে রাষ্ট্রীয় এই আবহাওয়া সংস্থাটি। হঠাৎ ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে যাতে কোনো নৌ দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য নৌপুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ-কেও (BIWTA) বাড়তি নজরদারি রাখার কথা বলা হয়েছে।
















