ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সুগন্ধা পয়েন্টে অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার; মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

কক্সবাজার সৈকতে এবার ভেসে এল বিশাল মৃত ডলফিন

সংগৃহীত ছবি

 

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ছয় ফুটেরও বেশি লম্বা একটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে জোয়ারের পানিতে ডলফিনটি সৈকতে উঠে আসে। মৃত ডলফিনটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা ভিড় জমান।

 

সৈকতের লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভুট্টু জানান, দুপুরে তারা সুগন্ধা পয়েন্টে ডলফিনটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। এটি লম্বায় ছয় ফুটের বেশি এবং শরীর থেকে চামড়া উঠে যাচ্ছিল। ডলফিনটির বর্তমান অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ‘ইরাবতী’ প্রজাতির ডলফিন হতে পারে। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় এটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে এবং শরীরে পচন শুরু হয়েছে।

 

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু এই ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ডলফিনটি দেখে মনে হচ্ছে এটি আনুমানিক তিন থেকে চার দিন আগে মারা গেছে। সমুদ্রে মাছ ধরার জালে আটকে অথবা কোনো বড় জাহাজের ইঞ্জিনের পাখার আঘাতে এর মৃত্যু হতে পারে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা।”

 

কক্সবাজার উপকূলে একের পর এক সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অশনিসংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত ডলফিনটিকে সরিয়ে নিয়ে মাটির নিচে পুঁতে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা, যাতে সৈকতে কোনো ধরনের দুর্গন্ধ বা দূষণ না ছড়ায়। বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

সুগন্ধা পয়েন্টে অর্ধগলিত দেহ উদ্ধার; মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

কক্সবাজার সৈকতে এবার ভেসে এল বিশাল মৃত ডলফিন

Update Time : ০৮:২২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

 

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ছয় ফুটেরও বেশি লম্বা একটি মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। আজ শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে জোয়ারের পানিতে ডলফিনটি সৈকতে উঠে আসে। মৃত ডলফিনটি দেখতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা ভিড় জমান।

 

সৈকতের লাইফগার্ড কর্মী জয়নাল আবেদীন ভুট্টু জানান, দুপুরে তারা সুগন্ধা পয়েন্টে ডলফিনটিকে পড়ে থাকতে দেখেন। এটি লম্বায় ছয় ফুটের বেশি এবং শরীর থেকে চামড়া উঠে যাচ্ছিল। ডলফিনটির বর্তমান অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ‘ইরাবতী’ প্রজাতির ডলফিন হতে পারে। দীর্ঘদিন পানিতে থাকায় এটি অর্ধগলিত অবস্থায় রয়েছে এবং শরীরে পচন শুরু হয়েছে।

 

কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু এই ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “ডলফিনটি দেখে মনে হচ্ছে এটি আনুমানিক তিন থেকে চার দিন আগে মারা গেছে। সমুদ্রে মাছ ধরার জালে আটকে অথবা কোনো বড় জাহাজের ইঞ্জিনের পাখার আঘাতে এর মৃত্যু হতে পারে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা।”

 

কক্সবাজার উপকূলে একের পর এক সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অশনিসংকেত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দ্রুত ডলফিনটিকে সরিয়ে নিয়ে মাটির নিচে পুঁতে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন তারা, যাতে সৈকতে কোনো ধরনের দুর্গন্ধ বা দূষণ না ছড়ায়। বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।