জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্তই কার্যকর হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি আইনি কাঠামোর মধ্যে সম্পন্ন হবে।
শুক্রবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়া হাফেজিয়া মাদরাসা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিই চূড়ান্ত। ইতিপূর্বে কিছু তদন্ত হয়েছে, প্রয়োজন হলে আবারও তদন্ত হবে। যেহেতু বিষয়গুলো বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন, তাই আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।” স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভঙ্গুর দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিস্ট সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল ও অকার্যকর করে রেখেছিল। এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং সুশাসনের কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করাই এখন নতুন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।”
নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আমি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছে ঋণী। তাদের ভোটের কারণেই আজ আমি এই পদে আসার সুযোগ পেয়েছি।”
এর আগে মির্জা ফখরুল তার নিজ বাসভবনে পৌঁছালে জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। এ সময় জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহীন এবং পুলিশ সুপার বেলাল হোসেনসহ এলজিইডির কর্মকর্তারা।
SEO ও অন্যান্য তথ্যাদি

অনলাইন ডেস্ক 














