ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর ব্যস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যেও এক ভিন্নরূপে ধরা দিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ফেরার পথে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একদল শিশুর সঙ্গে আনন্দঘন মুহূর্ত কাটান তিনি। হবু প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে শিশুরা। তাদের চোখে–মুখে ছিল কৌতূহল আর অকৃত্রিম ভালোবাসার ছাপ।
এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গুলশানের বাসভবন থেকে রওনা হয়ে ৭টায় জামায়াত আমিরের বসুন্ধরাস্থ বাসভবনে পৌঁছান তারেক রহমান। দীর্ঘ বৈঠক ও রাজনৈতিক আলাপচারিতা শেষে ফেরার সময় শিশুদের জটলা দেখে গাড়ি থামান তিনি। প্রিয় নেতাকে সামনে পেয়ে কেউ করমর্দন করতে হাত বাড়িয়ে দেয়, কেউ বা মেতে ওঠে সেলফি তোলায়। অনেক শিশু তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায়। তারেক রহমানও শিশুদের স্নেহে জড়িয়ে ধরেন এবং অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যতের স্বপ্ন সম্পর্কে জানতে চান।
উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজনীতির কঠিন সমীকরণের মাঝে এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু মানবিক মুহূর্তটি সবার মনে দাগ কেটেছে। শিশুদের সঙ্গে তারেক রহমানের এই সহজলভ্য ও আন্তরিক আচরণ সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করে। শিশুদের অভিভাবকরাও বিএনপি চেয়ারম্যানের এমন অমায়িক ব্যবহারে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।
রাজনৈতিক নীতিনির্ধারকদের মতে, তারেক রহমানের এই ইমেজ কেবল শিশুদের কাছেই নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর এক অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জনবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিতি আরও দৃঢ় করবে। জামায়াত আমিরের সঙ্গে ঐতিহাসিক সাক্ষাতের পর শিশুদের এই উচ্ছ্বাস ১৫ ফেব্রুয়ারির সন্ধ্যাকে এক অনন্য স্মারক হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা 














