ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ায় জিলানী-ঝড়: পরিবর্তনের অপেক্ষায় গোপালগঞ্জ-৩

গোপালগঞ্জ-৩ আসন: দেড় দশকের রাজনৈতিক সমীকরণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ (টুঙ্গিপাড়াকোটালীপাড়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই আসনটি একটি নির্দিষ্ট দলের একচ্ছত্র আধিপত্যে থাকলেও, এবার পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী এখন এই জনপদের সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।

 

বিগত কয়েক দিন ধরে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও পাড়ামহল্লায় এস এম জিলানীর গণসংযোগ এবং পথসভাগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ সময় পর এলাকায় একটি সত্যিকারের উৎসবমুখর এবং সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভোটাররা এখন নির্ভয়ে এবং স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারছেন। জিলানীকে এক নজর দেখতে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা শুনতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন তাঁর প্রতিটি কর্মসূচিতে।

 

নির্বাচনী মাঠ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এস এম জিলানী কেবল নিজের দলীয় বলয়ে সীমাবদ্ধ থাকেননি। বরং তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অধিকার, সুশাসন এবং নিরাপত্তার কথা বলে সবার নজর কেড়েছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তাঁর দৃঢ় অবস্থান সাধারণ ভোটারদের মনে বিশেষ আশার সঞ্চার করেছে। গত ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন জেলজুলুম ও কঠোর নির্যাতনের শিকার হয়েও মাঠ না ছাড়ায় স্থানীয়দের কাছে তাঁর ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এস এম জিলানীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং জনগণের সুখদুঃখে নিবিড়ভাবে মিশে থাকার মানসিকতা আসন্ন নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। টুঙ্গিপাড়াকোটালীপাড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে জিলানীর এই ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন এবং ভোটারদের সঙ্গে তাঁর আত্মিক যোগাযোগ ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে এক নতুন ইতিহাসের জন্ম দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

মেট্রোরেল স্টেশনে বোমা আতঙ্ক: তল্লাশির পর মিলল পান-জর্দার কৌটা

টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়ায় জিলানী-ঝড়: পরিবর্তনের অপেক্ষায় গোপালগঞ্জ-৩

গোপালগঞ্জ-৩ আসন: দেড় দশকের রাজনৈতিক সমীকরণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত

Update Time : ১১:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ (টুঙ্গিপাড়াকোটালীপাড়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণে এক অভাবনীয় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দীর্ঘ ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই আসনটি একটি নির্দিষ্ট দলের একচ্ছত্র আধিপত্যে থাকলেও, এবার পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী এখন এই জনপদের সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের আস্থার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।

 

বিগত কয়েক দিন ধরে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন, গ্রাম ও পাড়ামহল্লায় এস এম জিলানীর গণসংযোগ এবং পথসভাগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ সময় পর এলাকায় একটি সত্যিকারের উৎসবমুখর এবং সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনী পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ভোটাররা এখন নির্ভয়ে এবং স্বাধীনভাবে নিজেদের মতামত প্রকাশ করতে পারছেন। জিলানীকে এক নজর দেখতে এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা শুনতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করছেন তাঁর প্রতিটি কর্মসূচিতে।

 

নির্বাচনী মাঠ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এস এম জিলানী কেবল নিজের দলীয় বলয়ে সীমাবদ্ধ থাকেননি। বরং তিনি দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অধিকার, সুশাসন এবং নিরাপত্তার কথা বলে সবার নজর কেড়েছেন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা এবং এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে তাঁর দৃঢ় অবস্থান সাধারণ ভোটারদের মনে বিশেষ আশার সঞ্চার করেছে। গত ১৭ বছর রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন জেলজুলুম ও কঠোর নির্যাতনের শিকার হয়েও মাঠ না ছাড়ায় স্থানীয়দের কাছে তাঁর ব্যক্তি ইমেজ ও গ্রহণযোগ্যতা বহুগুণ বেড়ে গেছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এস এম জিলানীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা এবং জনগণের সুখদুঃখে নিবিড়ভাবে মিশে থাকার মানসিকতা আসন্ন নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। টুঙ্গিপাড়াকোটালীপাড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ আসনে জিলানীর এই ক্রমবর্ধমান জনসমর্থন এবং ভোটারদের সঙ্গে তাঁর আত্মিক যোগাযোগ ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটে এক নতুন ইতিহাসের জন্ম দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।