ছবি : সংগৃহীত
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের প্রস্তুতি হিসেবে ভিয়েতনামের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ০–৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভিয়েতনামের চেয়ে ৭৮ ধাপ পিছিয়ে থাকা লাল–সবুজের প্রতিনিধিদের জন্য এই হার প্রত্যাশিত মনে হলেও, ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার কণ্ঠে ঝরল ভিন্ন সুর। স্প্যানিশ এই কোচের মতে, মাঠের লড়াইয়ে দুই দলের মধ্যে খুব বেশি ব্যবধান ছিল না; বরং ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতাই হারের মূল কারণ।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ক্যাবরেরা বলেন, “সত্যি বলতে, আমি মনে করি আমরা তাদের খুব কাছাকাছিই ছিলাম। মাঠের লড়াইয়ে মূল পার্থক্যটা ছিল সম্ভবত ফিনিশিংয়ে। তারা যেভাবে নিজেদের পাওয়া সুযোগগুলো কাজে লাগিয়েছে, আমরা সেটা পারিনি। আমাদেরও গোল করার একাধিক সুযোগ ছিল, কিন্তু শেষ কাজটা আমরা নিখুঁতভাবে করতে পারিনি। অথচ ওই সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে আমরা অন্তত একটি গোল পেতে পারতাম।”
ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোল হজম করে ব্যাকফুটে চলে যায় বাংলাদেশ। তবে কোচ প্রথমার্ধের ভুলগুলোর চেয়ে দ্বিতীয়ার্থের ঘুরে দাঁড়ানোকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি মনে করেন, তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী হাই প্রেস, ডিফেন্সিভ ব্লক এবং বিল্ড–আপের ক্ষেত্রে দল সঠিক পথেই ছিল। ক্যাবরেরার ভাষায়, “আমাদের পারফরম্যান্স বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে খুবই ইতিবাচক ছিল। তবে এই মানের দলের বিপক্ষে ছোট ভুল করলে যে বড় মাশুল দিতে হয়, সেটা আমরা আজ হাড়েই হাড়েই টের পেয়েছি। দুটি সেট পিস থেকে গোল হজম করা এবং তৃতীয় গোলটি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ আমাদের ছিল।”
৩১ মার্চ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সেই বাঁচা–মরার লড়াইয়ের আগে ভিয়েতনামের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই ম্যাচকে একটি ‘কার্যকরী পরীক্ষা’ হিসেবে দেখছেন কোচ। তিনি মনে করেন, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নিজেদের শক্তিমত্তা যাচাই করার এটি ছিল দারুণ সুযোগ। এখন সময় এসেছে ভুলগুলো শুধরে ইতিবাচক দিকগুলোকে সিঙ্গাপুর ম্যাচে কাজে লাগানো। ক্যাবরেরার বিশ্বাস, ভিয়েতনাম ম্যাচের শিক্ষা সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জয় পেতে দলকে মানসিকভাবে এগিয়ে রাখবে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক 

























