ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
অবৈধ মজুতের দায়ে ২৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ লিটার উদ্ধার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • Update Time : ১২:০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০২ Time View

সংগৃহীত ছবি

 

 

দেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে প্রশাসন।

 

গত মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৬ লিটার অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়।

 

 

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে গত মাস থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৬ হাজার ২৪২টি ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

 

এসব অভিযানে অনিয়ম ও অবৈধ মজুতের সত্যতা পাওয়ায় ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১৫৭ লিটার ডিজেল (অকটেন হিসেবে পূর্ববর্তী তথ্যে বিভ্রান্তি থাকলেও সাধারণত ডিজেলই বেশি মজুত হয়, তবে প্রেস রিলিজ অনুযায়ী ৩,৩৩,১৫৭ লিটার ও ৩৬,৪০৫ লিটারের দুটি পৃথক অকটেন চালান এবং ৭৮,৮৯৪ লিটার পেট্রল)।

 

অভিযানের কঠোরতা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দোষীদের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। কেবল জরিমানাই নয়, গুরুতর অপরাধের দায়ে ৩১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

জ্বালানি মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। খোলা বাজারে জ্বালানি তেলের মজুত ও সঠিক বন্টন নিশ্চিত করতে এই তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা এবং বড় বড় ডিলার পয়েন্টগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনোভাবেই তেল পাচার বা অবৈধ মজুত না হতে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ মজুতের দায়ে ২৫ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও কারাদণ্ড

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ লিটার উদ্ধার

Update Time : ১২:০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

 

 

দেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে প্রশাসন।

 

গত মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক অভিযানে এখন পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৪৮ হাজার ৪৫৬ লিটার অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়।

 

 

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে গত মাস থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৬ হাজার ২৪২টি ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

 

এসব অভিযানে অনিয়ম ও অবৈধ মজুতের সত্যতা পাওয়ায় ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত তেলের মধ্যে রয়েছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ১৫৭ লিটার ডিজেল (অকটেন হিসেবে পূর্ববর্তী তথ্যে বিভ্রান্তি থাকলেও সাধারণত ডিজেলই বেশি মজুত হয়, তবে প্রেস রিলিজ অনুযায়ী ৩,৩৩,১৫৭ লিটার ও ৩৬,৪০৫ লিটারের দুটি পৃথক অকটেন চালান এবং ৭৮,৮৯৪ লিটার পেট্রল)।

 

অভিযানের কঠোরতা তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দোষীদের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। কেবল জরিমানাই নয়, গুরুতর অপরাধের দায়ে ৩১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। সরকারের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

 

জ্বালানি মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। খোলা বাজারে জ্বালানি তেলের মজুত ও সঠিক বন্টন নিশ্চিত করতে এই তদারকি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।

 

 

বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা এবং বড় বড় ডিলার পয়েন্টগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে যাতে কোনোভাবেই তেল পাচার বা অবৈধ মজুত না হতে পারে।