ফাইল ছবি : রয়টার্স
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানিকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ এই দাবি জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, গত রাতে পরিচালিত একটি লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলায় আলি লারিজানি এবং ইরানের বাসিজ বাহিনীর প্রধান কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষায়, তারা দুজনেই ‘নরকের গভীরে’ নিহত হওয়া আয়াতুল্লাহ খামেনির সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’ আগে জানিয়েছিল যে, লারিজানি একটি সুনির্দিষ্ট ‘হত্যাচেষ্টার লক্ষ্যবস্তু’ ছিলেন। তবে টেলিভিশিন চ্যানেল এন১২ জানায়, হামলার চূড়ান্ত ফলাফল এখনো নিখুঁতভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই অভিযানকে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধমূলক সাফল্য’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ইসরায়েলি সামরিক প্রধান এয়াল জামির।
মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনার মাঝে এই ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাতকে নতুন মাত্রায় পৌঁছে দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা লারিজানির মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি। তবে এই হামলা সফল হয়ে থাকলে তা ইরানের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য এক বিশাল ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হবে। আন্তর্জাতিক মহল এখন তেহরানের পাল্টা পদক্ষেপের দিকে গভীর নজর রাখছে।
সূত্র : ডেইলি মেইল, এএফপি, কালের কন্ঠ


























