ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
টি-সিরিজের ব্যানারে বাংলাদেশি তরুণীর স্বপ্নজয়, ইউটিউবে কোটি ছোঁয়ার অপেক্ষা

বলিউডে বাংলাদেশের তাশফী, বাদশাহ-নোরার সঙ্গে ‘সাজনা রে’ ধামাকা

সংগৃহীত ছবি

 

বলিউডের গ্ল্যামারাস সংগীতাঙ্গনে ডানা মেললেন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী তাশফী। বিশ্বখ্যাত মিউজিক লেবেল টি-সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিত ‘সাজনা রে’ শিরোনামের একটি গানে কণ্ঠ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। গানটিতে তার সঙ্গে রয়েছেন ভারতীয় র‍্যাপ দুনিয়ার সম্রাট বাদশাহ এবং বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ড্যান্সিং সেনসেশন ও গায়িকা নোরা ফাতেহি।

 

 

গত ৩ এপ্রিল গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই দুই বাংলার সংগীতপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। আধুনিক বিট, নজরকাড়া কোরিওগ্রাফি আর তাশফীর জাদুকরী কণ্ঠের ছোঁয়ায় গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। মাত্র কয়েক দিনেই এর ভিউ ৭৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং খুব দ্রুতই এটি কোটির মাইলফলক স্পর্শ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

পেছনের কারিগর ও নির্মাণ শৈলী:

 

 

গানের নেপথ্যে রয়েছেন আরেক বাংলাদেশি চমক। ‘সাজনা রে’ গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের তরুণ ও মেধাবী সংগীত পরিচালক সঞ্জয়। আধুনিক সাউন্ড ডিজাইন ও ক্যাচি সুরের মাধ্যমে তিনি বলিউড ঘরানার গানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। পুরো গানের কথা ও র‍্যাপ অংশ লিখেছেন বাদশাহ নিজেই। নোরা ফাতেহি ও বাদশাহর জমকালো পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাশফীর কণ্ঠের আলাদা স্বকীয়তা শ্রোতাদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।

 

অপ্রত্যাশিত এক স্বপ্নপূরণ:

 

 

বলিউডের মতো বিশাল এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পেছনের গল্পটি তাশফীর কাছে ছিল সম্পূর্ণ ফিল্মি। অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জানান, পুরো বিষয়টি ছিল তার কল্পনারও বাইরে। ঢাকায় থাকার সময় একদিন হুট করেই সংগীত পরিচালক সঞ্জয় তাকে স্টুডিওতে ডাকেন একটি ডেমো রেকর্ড করার জন্য। তাশফী বলেন, “আমি স্টুডিওতে গিয়ে গানটি শুনে খুব পছন্দ করি এবং রেকর্ড করি। তখনো জানতাম না এটি টি-সিরিজের বড় কোনো প্রজেক্ট বা এখানে বাদশাহ-নোরার মতো তারকারা থাকবেন। সঞ্জয় শুধু বলেছিলেন, গানটি দারুণ কিছু হতে যাচ্ছে।”

 

 

গানটি যখন চূড়ান্ত রূপে প্রকাশিত হয়, তখন বাদশাহ ও নোরা ফাতেহির নাম দেখে রীতিমতো চমকে যান তাশফী। নিজের প্রথম বলিউড অভিষেক এমন রাজকীয়ভাবে হবে, তা তিনি ভাবেননি। তাশফীর মতে, এটি কেবল তার একার নয়, বরং বাংলাদেশের সংগীতের জন্য এক বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে পরিবার, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি। ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক মানের কাজ উপহার দিয়ে লাল-সবুজের পতাকাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই উদীয়মান তারকা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ স্বপ্নে নেইমারের শেষ বাজি, পুনরায় অস্ত্রোপচার

টি-সিরিজের ব্যানারে বাংলাদেশি তরুণীর স্বপ্নজয়, ইউটিউবে কোটি ছোঁয়ার অপেক্ষা

বলিউডে বাংলাদেশের তাশফী, বাদশাহ-নোরার সঙ্গে ‘সাজনা রে’ ধামাকা

Update Time : ০৫:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

 

বলিউডের গ্ল্যামারাস সংগীতাঙ্গনে ডানা মেললেন বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী তাশফী। বিশ্বখ্যাত মিউজিক লেবেল টি-সিরিজের ব্যানারে প্রকাশিত ‘সাজনা রে’ শিরোনামের একটি গানে কণ্ঠ দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। গানটিতে তার সঙ্গে রয়েছেন ভারতীয় র‍্যাপ দুনিয়ার সম্রাট বাদশাহ এবং বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় ড্যান্সিং সেনসেশন ও গায়িকা নোরা ফাতেহি।

 

 

গত ৩ এপ্রিল গানটি মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই দুই বাংলার সংগীতপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা সৃষ্টি হয়েছে। আধুনিক বিট, নজরকাড়া কোরিওগ্রাফি আর তাশফীর জাদুকরী কণ্ঠের ছোঁয়ায় গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। মাত্র কয়েক দিনেই এর ভিউ ৭৬ লাখ ছাড়িয়ে গেছে এবং খুব দ্রুতই এটি কোটির মাইলফলক স্পর্শ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

পেছনের কারিগর ও নির্মাণ শৈলী:

 

 

গানের নেপথ্যে রয়েছেন আরেক বাংলাদেশি চমক। ‘সাজনা রে’ গানটির সংগীত পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের তরুণ ও মেধাবী সংগীত পরিচালক সঞ্জয়। আধুনিক সাউন্ড ডিজাইন ও ক্যাচি সুরের মাধ্যমে তিনি বলিউড ঘরানার গানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন। পুরো গানের কথা ও র‍্যাপ অংশ লিখেছেন বাদশাহ নিজেই। নোরা ফাতেহি ও বাদশাহর জমকালো পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাশফীর কণ্ঠের আলাদা স্বকীয়তা শ্রোতাদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করেছে।

 

অপ্রত্যাশিত এক স্বপ্নপূরণ:

 

 

বলিউডের মতো বিশাল এই প্রজেক্টে যুক্ত হওয়ার পেছনের গল্পটি তাশফীর কাছে ছিল সম্পূর্ণ ফিল্মি। অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে তিনি জানান, পুরো বিষয়টি ছিল তার কল্পনারও বাইরে। ঢাকায় থাকার সময় একদিন হুট করেই সংগীত পরিচালক সঞ্জয় তাকে স্টুডিওতে ডাকেন একটি ডেমো রেকর্ড করার জন্য। তাশফী বলেন, “আমি স্টুডিওতে গিয়ে গানটি শুনে খুব পছন্দ করি এবং রেকর্ড করি। তখনো জানতাম না এটি টি-সিরিজের বড় কোনো প্রজেক্ট বা এখানে বাদশাহ-নোরার মতো তারকারা থাকবেন। সঞ্জয় শুধু বলেছিলেন, গানটি দারুণ কিছু হতে যাচ্ছে।”

 

 

গানটি যখন চূড়ান্ত রূপে প্রকাশিত হয়, তখন বাদশাহ ও নোরা ফাতেহির নাম দেখে রীতিমতো চমকে যান তাশফী। নিজের প্রথম বলিউড অভিষেক এমন রাজকীয়ভাবে হবে, তা তিনি ভাবেননি। তাশফীর মতে, এটি কেবল তার একার নয়, বরং বাংলাদেশের সংগীতের জন্য এক বড় অর্জন। এই সাফল্যের পেছনে পরিবার, বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণার কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন তিনি। ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক মানের কাজ উপহার দিয়ে লাল-সবুজের পতাকাকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এই উদীয়মান তারকা।