ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
টুঙ্গিপাড়ায় পুলিশের পাশাপাশি কড়া গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি

ছবি: সংগৃহীত

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজিরবিহীন ও কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন। শনিবার (১৫ আগস্ট) মূল দিবসটিকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স সহ জেলার প্রতিটি স্পর্শকাতর স্থানে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

 

 

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান নিশ্চিত করেছেন যে, জেলার সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুক্রবার বিকেল থেকেই জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন সংলগ্ন প্রধান সড়কে সাধারণ যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে। এ ছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি-বেসরকারি প্রধান প্রধান স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

 

বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এবং তার আশপাশের এলাকায় গ্রহণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তা। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষের অবাধ যাতায়াত ও যানবাহন চলাচল অনেকটাই সীমিত করা হয়েছে। কমপ্লেক্সের আশেপাশে সন্দেহভাজন কাউকে ভিড়তে দেওয়া হচ্ছে না। উপজেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতেও অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান সংবাদমাধ্যমকে জানান, “১৫ আগস্ট নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়, বরং পুরো জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ও মনিটরিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিরতি দিয়ে দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে, যা আমাদের রুটিন কাজেরই একটি অংশ।” সব মিলিয়ে শোক দিবস ঘিরে জেলা জুড়ে শান্ত ও থমথমে পরিবেশ বজায় রাখা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

টুঙ্গিপাড়ায় পুলিশের পাশাপাশি কড়া গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি

Update Time : ১০:৪২:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ছবি: সংগৃহীত

 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নজিরবিহীন ও কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনী গড়ে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসন। শনিবার (১৫ আগস্ট) মূল দিবসটিকে কেন্দ্র করে জেলা জুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স সহ জেলার প্রতিটি স্পর্শকাতর স্থানে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

 

 

গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান নিশ্চিত করেছেন যে, জেলার সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুক্রবার বিকেল থেকেই জেলা ও দায়রা জজের বাসভবন সংলগ্ন প্রধান সড়কে সাধারণ যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং সেখানে পুলিশ প্রহরা বসানো হয়েছে। এ ছাড়া শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়, সরকারি-বেসরকারি প্রধান প্রধান স্থাপনা ও জনসমাগমস্থলগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল দল সার্বক্ষণিক মাঠে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

 

 

বিশেষ করে টুঙ্গিপাড়ায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স এবং তার আশপাশের এলাকায় গ্রহণ করা হয়েছে সর্বোচ্চ স্তরের নিরাপত্তা। নিরাপত্তার স্বার্থে সাধারণ মানুষের অবাধ যাতায়াত ও যানবাহন চলাচল অনেকটাই সীমিত করা হয়েছে। কমপ্লেক্সের আশেপাশে সন্দেহভাজন কাউকে ভিড়তে দেওয়া হচ্ছে না। উপজেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর পয়েন্টগুলোতেও অতিরিক্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।

 

 

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক আরিফ-উজ-জামান সংবাদমাধ্যমকে জানান, “১৫ আগস্ট নির্দিষ্ট কোনো একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে নয়, বরং পুরো জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা ও মনিটরিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিরতি দিয়ে দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে বিজিবি দায়িত্ব পালন করবে, যা আমাদের রুটিন কাজেরই একটি অংশ।” সব মিলিয়ে শোক দিবস ঘিরে জেলা জুড়ে শান্ত ও থমথমে পরিবেশ বজায় রাখা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।