ঢাকা , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপে আলবেসিলেস্তদের শেষ মহড়া

মেগাস্টেডিয়ামে মেসির বিশ্বরেকর্ড: কাইল ফিল্ডে ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব

সংগৃহীত ছবি

 

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বিশ্বজয়ের নতুন অভিযান শুরুর আগে মহাতারকা লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে আলবেসিলেস্তরা।

 

এই সফরের মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টেক্সাসের কলেজ স্টেশনের বিখ্যাত ‘কাইল ফিল্ড’ স্টেডিয়াম। আগামী ৬ জুন এই মাঠে হন্ডুরাসের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, যা মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ করতে যাচ্ছে এক অনন্য মাইলফলক।

 

 

প্রায় ১ লক্ষ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কাইল ফিল্ডে খেলতে নেমে মেসি তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল উন্মাদনা এখন তুঙ্গে, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্বয়ং এলএমটেন।

 

ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচটিকে ঘিরে টেক্সাসজুড়ে শুরু হয়েছে টিকিটের হাহাকার। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ম্যাচের দিন গ্যালারিতে কোনো আসনই খালি থাকবে না। কাইল ফিল্ডের ইতিহাসে এটি হবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ। এর আগে ২০২৪ সালে মেক্সিকো ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচে ৮৫,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়ে রেকর্ড গড়েছিল, তবে মেসির আগমনে সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

টেক্সাসের এই ফুটবল উৎসব শেষ করে আর্জেন্টিনা দল পাড়ি জমাবে আলাবামায়। সেখানে ৯ জুন অবার্নের ‘জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে’ আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচে অংশ নেবে তারা। এটিও আমেরিকার অন্যতম বিশাল এক ক্রীড়া স্থাপনা। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি দিয়েই বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ের আগে নিজেদের শক্তি ও কৌশল ঝালিয়ে নেওয়ার কাজ শেষ করবেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপের আগে আমেরিকার বিশাল ভেন্যুগুলোতে এই ম্যাচ আয়োজন কেবল প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের বিপণন ও জনপ্রিয়তাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বড় প্রয়াস।

 

 

লক্ষাধিক মানুষের গগনবিদারী চিৎকারের মাঝে বিশ্বসেরা এই তারকার ফুটবল শৈলী দেখার জন্য এখন প্রহর গুনছে গোটা উত্তর আমেরিকা। কাইল ফিল্ড ও জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামের এই সফর ফুটবল ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

তরমুজের খোসা ও বীজে লুকিয়ে আছে মহৌষধি গুণ

হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বিশ্বকাপে আলবেসিলেস্তদের শেষ মহড়া

মেগাস্টেডিয়ামে মেসির বিশ্বরেকর্ড: কাইল ফিল্ডে ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্ব

Update Time : ০৪:০১:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

সংগৃহীত ছবি

 

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মিশনে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বিশ্বজয়ের নতুন অভিযান শুরুর আগে মহাতারকা লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলবে আলবেসিলেস্তরা।

 

এই সফরের মূল আকর্ষণ হয়ে দাঁড়িয়েছে টেক্সাসের কলেজ স্টেশনের বিখ্যাত ‘কাইল ফিল্ড’ স্টেডিয়াম। আগামী ৬ জুন এই মাঠে হন্ডুরাসের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা, যা মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে যোগ করতে যাচ্ছে এক অনন্য মাইলফলক।

 

 

প্রায় ১ লক্ষ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন কাইল ফিল্ডে খেলতে নেমে মেসি তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল উন্মাদনা এখন তুঙ্গে, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্বয়ং এলএমটেন।

 

ক্রীড়া সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচটিকে ঘিরে টেক্সাসজুড়ে শুরু হয়েছে টিকিটের হাহাকার। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ম্যাচের দিন গ্যালারিতে কোনো আসনই খালি থাকবে না। কাইল ফিল্ডের ইতিহাসে এটি হবে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ। এর আগে ২০২৪ সালে মেক্সিকো ও ব্রাজিলের মধ্যকার ম্যাচে ৮৫,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়ে রেকর্ড গড়েছিল, তবে মেসির আগমনে সেই রেকর্ড ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

টেক্সাসের এই ফুটবল উৎসব শেষ করে আর্জেন্টিনা দল পাড়ি জমাবে আলাবামায়। সেখানে ৯ জুন অবার্নের ‘জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে’ আইসল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ প্রীতি ম্যাচে অংশ নেবে তারা। এটিও আমেরিকার অন্যতম বিশাল এক ক্রীড়া স্থাপনা। আইসল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি দিয়েই বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ের আগে নিজেদের শক্তি ও কৌশল ঝালিয়ে নেওয়ার কাজ শেষ করবেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

 

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বকাপের আগে আমেরিকার বিশাল ভেন্যুগুলোতে এই ম্যাচ আয়োজন কেবল প্রস্তুতির অংশ নয়, বরং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবলের বিপণন ও জনপ্রিয়তাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বড় প্রয়াস।

 

 

লক্ষাধিক মানুষের গগনবিদারী চিৎকারের মাঝে বিশ্বসেরা এই তারকার ফুটবল শৈলী দেখার জন্য এখন প্রহর গুনছে গোটা উত্তর আমেরিকা। কাইল ফিল্ড ও জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামের এই সফর ফুটবল ইতিহাসে এক স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে লিপিবদ্ধ থাকবে।